চিড়িয়াখানা ভ্রমন


তারিখ হয়তো ১৬ই ডিসেম্বর হবে ১৫ সালের।বাবু তখন হালকা পাতলা হাটতে শিখেছে। বাবুকে নিয়ে ঘুরতে গেলাম চিরিয়াখানায়।তখন স্বল্প আয়।নুন আনতে পানতে ফুরায়। কিন্তু বউ ছেলের তো একটু আনন্দ দরকার।ছোট্ট বাবাটা যখন গুটিগুটি পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছিল তখন একটা স্বর্গীয় সুখ ভিতরে কাজ করতেছিল।

বাবু বানরের খাঁচার কাছে থেকে সরতে চাইছিল না।বানরের লাফালাফি দেখে ফোকলা দাঁতে কিযে হাসি। বাবা হিসেবে এটা আমার অন্য রকম আনন্দ। 

বাবা,ওটা কি?
হরিণ।
হরিণ কি খায়?
ঘাস,লতাপাতা খায়।

এমন হাজার হাজার প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো আমাকে।লক্ষ্মি বাবাটা আমার তোমার জন্য অনেক দোয়া। অনেক দিন বাঁচো। তোমার সব মন-বাসনা আল্লাহ পুরন করুক।